
ছাতক প্রতিনিধি:
ছাতক ও বিশ্বনাথ থানায় আ’লীগ সেচ্ছাসেবকলীগ যুবলীগ ব্যবসায়ী ও শিক্ষকসহ দু’গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪২জনের নাম উল্লেখ্য ও দেড়শতাধিক অঞ্জাতনামা করে প্রায় দুইশতাধিক ব্যক্তিদের নামে একটি হত্যার মামলা দায়েরের ঘটনায় দুই জেলাজুড়েই ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে। দু’গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার মুল আসামীদের আড়াল করে নিরীহব্যক্তিদের নামে হত্যা মামলা দায়ের নিয়ে জনমনে নানা প্রশদেখা দিয়েছে। পুলিশ আতংকে পুরুষশুন্য হয়ে পড়েছে দীঘলী গ্রাম।
জানা যায়, মঙ্গল রাতে আফজলাবাদ বাজার লালপুল এলাকায় মদ্যপ অবস্থায় শিবনগর গ্রামের প্রতিপক্ষদের উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে দিঘলী বুধবার হারুন মিয়ার পুত্র ফয়সল আহমদ। এতে বাধাঁ দেয়া শিবনগর গ্রামের সিরাজ মিয়ার পুত্র সাজুমিয়া ও আবুল মিয়া পুত্র ফরিদ আহমদ্।এ সময় তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।এ ঘটনার জের ধরেই শিবনগর ও দিঘলী গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তুমুল সংঘষের ঘটনায় ইয়াকুব নামে একব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের বড়ভাই ˆছলাআফজলাদ ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামের মৃত খুশিদ আলীর পুত্র
আওলাদ আলী বাদী হয়ে গত ৮ নভেম্বর রাতে ছাতক থানায় মামলা রেকড করেন। এ মামলায় ছাতক উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ওবায়দুর রহমান বাবলুকে প্রধান আসামী করে ৪২জনের নাম উল্লেখ্য ও দেড়শতাধিক ব্যক্তিদের অঞ্জাত করে একটি হত্যার মামলা দায়ের করে। এলাকাবাসি অভিযোগ করেন যে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন সংঘর্ষের ঘটনার সময় ঢাকায় থাকা অবস্থায় একজন ব্যবসায়ি বিশ্বনাথের লামাকাজি ইউনিয়নের দীঘলী গোজার পাড়া গ্রামে মৃত কমর উদ্দিনের পুত্র মুক্তার মিয়াকে আসামী করা হয়েছে। এদিকে একজন শিক্ষক মাসুদুর রউফকে এভাবে জড়িয়েছেন। যাদের
নেতৃত্বে প্রকাশ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে চলাকালি সংঘর্ষে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে করেছিল। এদের নাম বাদ দিয়ে হত্যার মামলা দায়ের নিয়ে জনমনে নানা প্রশś দেখা দেয়। এনিয়ে দুই জেলাজুড়েই ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।এ ঘটনায় পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে দিঘলী গ্রামের জিয়াউল হকের পুত্র শাহেদ মিয়া (২৭), ˆশলেন ঘোষের পুত্র নির্মল ঘোষ (২১) সবুধ পালের পুত্র সজিব পাল (২০) ও সুভাষ পাল (২২) কে ৪জন গ্রেফতার করেছে। বৃস্পতিবার বিকালে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুনśবী ঘটনাস্থল পরিদশন করেন। এসময়
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম কবির,ছাতক জোন সাকেল এ এসপি বিল্লাল আহমদ ও থানার ওসি গোলাম মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন।এব্যাপারে তদন্ত কর্মকতা হাবিবুর রহমান জানান,হত্যার মামলার এজহারভুক্ত আসামী ৪জন গ্রেফতারে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। অনন্য আসামী গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।